Breaking News

This text will scroll from right to left

খেলাধুলা

মিস  ইউ ম্যাশ..!

নিজস্ব: একজন মাশরাফি মানে, মাঠ ভর্তি দর্শকের উন্মোদনা

একজন মাশরাফি মানে, খেলার মাঠে লাল-সবুজ এর নেতৃত্ব ।

একজন মাশরাফি মানে, অসুস্থ মায়ের জন্য এ্যাম্বুলেন্স এর ব্যাবস্থা

একজন মাশরাফি মানে, দেশ  প্রেম ।

আমি কোন বীরশ্রেষ্ঠ কে দেখিনি, দেখেছি মাশরাফি নামক  একজন মহাপুরুষ কে । 

 

মাহমুদউলাহ একমত হাতুুরিসংহের সাথে, দ্বিমতও আছে

এফএনএস স্পোর্টস: সফরের শুরু থেকে প্রায় প্রতিটি সংবাদ সম্মেলনে এই প্রশ্ন উঠেছে বারবার। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সম্পর্কে চন্দ্রিকা হাথুরুসিংহের ধারণা এখনও টাটকা। জানেন ভেতর-বাহিরের সব কিছু। বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা লড়াইয়ে যেটি বড় পার্থক্য গড়ে দেওয়ার কথা। প্রতিবারই প্রসঙ্গটি উড়িয়ে দিয়েছেন দুই দলের সবাই। অবশেষে সফরের শেষ প্রান্তে এসে হাথুরুসিংহে মেনে নিলেন, এটি গড়ে দিয়েছে পার্থক্য। শ্রীলঙ্কা এবার বাংলাদেশ সফরে আসার মাস দুয়েক আগেও বাংলাদেশের কোচ ছিলেন হাথুরুসিংহে। এখনও তার গায়ে বাংলাদেশের ‘সদ্য সাবেক’ কোচের তকমা। তিন বছরে এই দলের ধরন, মানসিকতা, শক্তি-দুর্বলতা, সবই তার বিশদভাবে জানা। সফরের আগে থেকেই এটি ছিল সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু। তবে সেটিকে পাত্তা দিতে চায়নি কোনো পক্ষই। শ্রীলঙ্কার কোচ হিসেবে বাংলাদেশে আসার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে হাথুরুসিংহে বলেছিলেন, এটিকে বড় ব্যাপার মনে করেন না তিনি। বাংলাদেশের সহকারী কোচ রিচার্ড হ্যালসল বলেছিলেন, “হাথুরুসিংহে মাঠে গিয়ে রান করবে না, উইকেট নেবে না।” একই রকম সুর ছিল অন্যান্যের কণ্ঠেও। তবে সফল সফরের শেষভাগে এসে অবশেষে বদলেছে হাথুরুসিংহের সুর। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সম্পর্কে তার জানাশোনা আসলে কতটা পার্থক্য গড়ে দিয়েছে, শেষ টি-টোয়েন্টির আগের দিন সিলেটে সংবাদ সম্মেলনে এই প্রশ্নে লঙ্কান কোচ ভাবলেন বেশ কিছুক্ষণ। তার পর কণ্ঠে ফুটে উঠল বাস্তবতার টান। “আমার মনে হয়ৃসত্যি বলতে, ‘হ্যাঁ’ (বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে)ৃ ওদের ক্রিকেটারদের বেশ কজনকে নিয়ে আমাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল। জানতাম, চাপের মধ্যে ওরা কেমন করে, কিভাবে খেলে।” ফরের শুরুটা শ্রীলঙ্কার হয়েছিল বাজে। বাংলাদেশের কাছে রেকর্ড ব্যবধানের হারের পর হেরেছিল জিম্বাবুয়ের কাছেও। পরে তারাই জিতেছে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের শিরোপা। জিতেছে টেস্ট সিরিজ। নিশ্চিত করেছে, টি-টোয়েন্টি সিরিজও হারছে না, শেষ ম্যাচ জিতে সুযোগ আছে আরেকটি জয়ের। হাথুরুসিংহের দাবি, এমন শুরু তার কাছে প্রত্যাশিতই ছিল। কোচ দারুণ খুশি সেখান থেকে তার দলের ঘুরে দাঁড়ানোয়। “প্রথম দুই ম্যাচে ওরা দারুণ দাপট দেখিয়েছে। সেটা আমার কাছে প্রত্যাশিতই ছিল, ওরকম না হলেই আমি খুব হতাশ হতাম। আমি খুশিই ছিলাম সেটি নিয়ে। তবে তার পর আমরা যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছি, সেটি নিয়েও আমি খুশি। ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্য এটি খুবই তৃপ্তিদায়ক সফর।” তবে লঙ্কান কোচের দাবি, এখনও তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের শুভাকাঙ্খী। নজর রাখবেন বাংলাদেশের ভবিষ্যত পথচলায়। “এখান থেকে যাওয়ার পর আমি চাই বাংলাদেশ ভালো করুক। ওরা কিভাবে সামনে এগোয়, সেদিকে চোখ রাখব আমি।”

 

 

এফএনএস স্পোর্টস: সফরের শুরু থেকে প্রায় প্রতিটি সংবাদ সম্মেলনে এই প্রশ্ন উঠেছে বারবার। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সম্পর্কে চন্দ্রিকা হাথুরুসিংহের ধারণা এখনও টাটকা। জানেন ভেতর-বাহিরের সব কিছু। বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা লড়াইয়ে যেটি বড় পার্থক্য গড়ে দেওয়ার কথা। প্রতিবারই প্রসঙ্গটি উড়িয়ে দিয়েছেন দুই দলের সবাই। অবশেষে সফরের শেষ প্রান্তে এসে হাথুরুসিংহে মেনে নিলেন, এটি গড়ে দিয়েছে পার্থক্য। শ্রীলঙ্কা এবার বাংলাদেশ সফরে আসার মাস দুয়েক আগেও বাংলাদেশের কোচ ছিলেন হাথুরুসিংহে। এখনও তার গায়ে বাংলাদেশের ‘সদ্য সাবেক’ কোচের তকমা। তিন বছরে এই দলের ধরন, মানসিকতা, শক্তি-দুর্বলতা, সবই তার বিশদভাবে জানা। সফরের আগে থেকেই এটি ছিল সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু। তবে সেটিকে পাত্তা দিতে চায়নি কোনো পক্ষই। শ্রীলঙ্কার কোচ হিসেবে বাংলাদেশে আসার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে হাথুরুসিংহে বলেছিলেন, এটিকে বড় ব্যাপার মনে করেন না তিনি। বাংলাদেশের সহকারী কোচ রিচার্ড হ্যালসল বলেছিলেন, “হাথুরুসিংহে মাঠে গিয়ে রান করবে না, উইকেট নেবে না।” একই রকম সুর ছিল অন্যান্যের কণ্ঠেও। তবে সফল সফরের শেষভাগে এসে অবশেষে বদলেছে হাথুরুসিংহের সুর। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সম্পর্কে তার জানাশোনা আসলে কতটা পার্থক্য গড়ে দিয়েছে, শেষ টি-টোয়েন্টির আগের দিন সিলেটে সংবাদ সম্মেলনে এই প্রশ্নে লঙ্কান কোচ ভাবলেন বেশ কিছুক্ষণ। তার পর কণ্ঠে ফুটে উঠল বাস্তবতার টান। “আমার মনে হয়ৃসত্যি বলতে, ‘হ্যাঁ’ (বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে)ৃ ওদের ক্রিকেটারদের বেশ কজনকে নিয়ে আমাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল। জানতাম, চাপের মধ্যে ওরা কেমন করে, কিভাবে খেলে।” ফরের শুরুটা শ্রীলঙ্কার হয়েছিল বাজে। বাংলাদেশের কাছে রেকর্ড ব্যবধানের হারের পর হেরেছিল জিম্বাবুয়ের কাছেও। পরে তারাই জিতেছে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের শিরোপা। জিতেছে টেস্ট সিরিজ। নিশ্চিত করেছে, টি-টোয়েন্টি সিরিজও হারছে না, শেষ ম্যাচ জিতে সুযোগ আছে আরেকটি জয়ের। হাথুরুসিংহের দাবি, এমন শুরু তার কাছে প্রত্যাশিতই ছিল। কোচ দারুণ খুশি সেখান থেকে তার দলের ঘুরে দাঁড়ানোয়। “প্রথম দুই ম্যাচে ওরা দারুণ দাপট দেখিয়েছে। সেটা আমার কাছে প্রত্যাশিতই ছিল, ওরকম না হলেই আমি খুব হতাশ হতাম। আমি খুশিই ছিলাম সেটি নিয়ে। তবে তার পর আমরা যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছি, সেটি নিয়েও আমি খুশি। ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্য এটি খুবই তৃপ্তিদায়ক সফর।” তবে লঙ্কান কোচের দাবি, এখনও তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের শুভাকাঙ্খী। নজর রাখবেন বাংলাদেশের ভবিষ্যত পথচলায়। “এখান থেকে যাওয়ার পর আমি চাই বাংলাদেশ ভালো করুক। ওরা কিভাবে সামনে এগোয়, সেদিকে চোখ রাখব আমি।”